• রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের নির্দেশনা আসছে ডিসি সম্মেলনে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পরও ৩ বছর শুল্ক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসছে ভারত থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি এপ্রিলে শেষ হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ, চালু অক্টোবরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৫ সদস্যের কমিটি দেশে এখন ভোটার ১২ কোটি ১৮ লাখ প্রথম অফশোর ব্যাংকিং আইন হচ্ছে, সংসদে বিল আরসিবিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা চলবে বেইলি রোডে প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর শোক যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম সেনাবাহিনী গড়ে তোলা হবে রবিবার শুরু হচ্ছে ডিসি সম্মেলন, লক্ষ্য ‘দক্ষ ও স্মার্ট’ প্রশাসন আস্থার প্রতিদান দেবেন, নতুন প্রতিমন্ত্রীদের আশ্বাস জিয়াউর রহমান, সায়েম ও মোশতাকের ক্ষমতা দখল ছিল বেআইনি গণমাধ্যমকে আরো শক্তিশালী করতে প্রস্তুত সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের প্রজ্ঞাপন জারি ঈদযাত্রায় ট্রেনের বগি বাড়ানো হবে: রেলমন্ত্রী আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব সরকারের ‘দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’ প্রকৃত দাবিদারের দাবি স্বল্প সময়ে বুঝিয়ে দিন

২৩ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেবে ইইউ

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ৩৩ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২

বাংলাদেশের সাড়ে আট লাখের বেশি অতিদারিদ্র্য মানুষের টেকসই উন্নয়নে প্রায় ২৩ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৫০ কোটি টাকার বেশি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইইউ।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ‘পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল- ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার। আর ইইউয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউয়ের হেড অব কোঅপারেশন মাওরিজিও চায়ান।

চুক্তির আওতায় ইইউয়ের কাছ থেকে মোট ২২ দশমিক ৮১ মিলিয়ন ইউরো পাবে পিকেএসএফ। দেশের অতিদারিদ্র্যপ্রবণ ১২ জেলার ১৪৫টি ইউনিয়নে ২ লাখ ১৫ হাজার অতিদারিদ্র্য খানাভুক্ত ৮ লাখ ৬০ হাজার মানুষকে সহায়তা করবে এ প্রকল্প। এর লক্ষ্য এই জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বাড়িয়ে সমৃদ্ধির পথে অগ্রগতি নিশ্চিত করা।

উত্তর-পশ্চিমের নদীতীরবর্তী বন্যাপ্রবণ অঞ্চল রংপুর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলা; দক্ষিণ-পশ্চিমের ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততাপ্রবণ অঞ্চল খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলা; উত্তর-পূর্বের হাওরাঞ্চল কিশোরগঞ্জ এবং উত্তরাঞ্চলের কিছু নির্বাচিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী-অধ্যুষিত এলাকায় প্রকল্পটি কাজ করবে। এর আওতায় অতিদারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর জীবিকায়ন ও উদ্যোগ উন্নয়ন, পুষ্টি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, কমিউনিটি মোবিলাইজেশনের মাধ্যমে সেবাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধিতা একীভূতকরণ, জলবায়ু সহনশীলতা সৃষ্টি এবং নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করবে এই প্রকল্প।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্য সরকারের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এবং ইইউয়ের যৌথ অর্থায়নে এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। চার বছরের মাথায় ব্রিটিশ সরকার অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ার পর বাড়তি তহবিল জোগান দিয়ে প্রকল্পটি আরও তিন বছর অব্যাহত রাখতে চুক্তি করেছে ইইউ। বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং পিকেএসএফের সঙ্গে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইইউ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর