• শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফের আশা জাগাচ্ছে লালদিয়া চর কনটেইনার টার্মিনাল ‘মাই লকারে’ স্মার্টযাত্রা আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ১০.৪৩ শতাংশ বঙ্গবাজারে দশতলা মার্কেটের নির্মাণ কাজ শুরু শিগগিরই বেঁচে গেলেন শতাধিক যাত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ মন্ত্রী-এমপিদের প্রভাব না খাটানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মুজিবনগর দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী সলঙ্গায় ১০৭ বছরেও জীবন যুদ্ধ শেষ হয়নি বৃদ্ধা ডালিম খাতুনের দ্বাদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসছে ২ মে আপাতত মার্জারে যাচ্ছে ১০ ব্যাংক, এর বাইরে নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক রাজধানীর অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৪৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন খালির নির্দেশ চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৬.১ শতাংশ কৃচ্ছ্রসাধনে আগামী বাজেটেও থোক বরাদ্দ থাকছে না নতুন যোগ হচ্ছে ২০ লাখ দরিদ্র প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি জামায়াত নেতারাও কিস্তির সময় পার হলেই মেয়াদোত্তীর্ণ হবে ঋণ বিভেদ মেটাতে মাঠে আওয়ামী লীগ নেতারা

শাহজাদপুরে সাদা ঝুরি তৈরিতে শতাধিক নারীর ভাগ্য পরিবর্তন

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ৫৭ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার হাটপাচিল গ্রামে তৈরি করা হচ্ছে মুখোরচক সাদা ঝুরি । এ ঝুরি তৈরীর কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে অনেক নারী। এতে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে ওই গ্রামের শতাধিক নারীর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর দফায় দফায় ভাঙ্গনে ওই গ্রামের অনেক পরিবারের বাড়িঘর ও জমিজমা বিলিন হয়ে যায়। এতে অনেক পরিবার পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে এবং ওই গ্রামে বালুচর পড়ায় এখানে কোন ফসল চাষাবাদ হয় না। জীবিকা নির্বাহের জন্য কোনো কাজও পায়না ওই গ্রামের মানুষ। এছাড়া অনেক পরিবারের পুরুষ সদস্য স্ত্রী পরিজন ফেলে অন্যত্র চলে গিয়ে আবারো সংসার শুরু করে। এ কারণে তাদের দিন কাটছিল অর্ধাহারে ও অনাহারে। অবশেষে স্বল্প পুঁজিতে অনেক অসহায় নারী বাধ্য হয়ে জীবিকার তাগিদে এ ঝুরি তৈরির কাজ বেছে নেয় দীর্ঘদিন ধরে। চালের গুড়া ও লবনের পানি দিয়ে এ সাদা ঝুরি তৈরী করা হয়। হাটপাচিল গ্রামের নারীদের তৈরী এ সাদা ঝুরির কদরও বাড়ছে। মুখোরচক এ ঝুরি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অনেক স্থানে সরবরাহ হচ্ছে। এতে তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের পালা শুরু হয়েছে ও হচ্ছে। ইতিমধ্যেই শতাধিক নারী ঝুরি তৈরি করে সাংসার চালাচ্ছে এবং তাদের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়াও করাচ্ছ। ইতিমধ্যেই এ ঝুরি তৈরী ও বিক্রি করে অনেক নারী এখন স্বাবলম্বী। এ নারীদের সাফল্য দেখে এলাকার অনেক গ্রামের নারীরা এখন এ ঝুরি তৈরির কাজে ঝুঁকছে।

ওই গ্রামের ঝুড়ি তৈরীকারী সকিনা, আঞ্জুমান ও বিলকিসসহ অনেক নারী জানান, একজন নারী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ মণ ঝুড়ি তৈরি করতে পারেন। যায় বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫’শ টাকা থেকে ৩ হাজার ৮’শ টাকা। তারা প্রতি কেজি ঝুড়ি বিক্রি করছেন ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। অর্থাৎ কেজি প্রতি তাদের গড়ে লাভ হয় ১২ টাকা থেকে ১৫ টাকা এবং প্রতি মণে লাভ হয় সাড়ে ৫’শ টাকা থেকে ৬’শ টাকা।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খোকন মাস্টারসহ অনেকেই বলছেন, এ ঝুরি তৈরী কাজে সরকারি ও বেসরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হলে এ সাদা ঝুড়ি লাভজনক শিল্পে পরিণত হবে বলে তারা উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর