• রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিজিবি পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট হচ্ছে কৃষি জুনের ১২ দিনে প্রবাসীরা ১৪৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন পদ্মা সেতুতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, বঙ্গবন্ধুতে নতুন রেকর্ড পাস হতে পারে ঋণের কিস্তি ছাড়ের প্রস্তাব সারা দেশে অভিযানের নির্দেশ জনশক্তি নিতে আজারবাইজানকে অনুরোধ সরে গেছে মিয়ানমারের জাহাজ নৌপথে ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ডের টহল প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরে প্রাধান্য পাবে তিস্তা ইস্যু সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডিসেম্বরেই ট্রেন চলবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতুতে ঢেলে সাজানো হচ্ছে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখত বেশি করে গাছ লাগাতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী ভূমি জটিলতা দূর করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : ডেপুটি স্পিকার গ্লোবাল কোয়ালিশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে বাংলাদেশের যোগদান ফজিলাতুন নেছা মুজিব হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে সম্পর্ক নতুন গতি পাবে সিরাজগঞ্জে অবৈধভাবে ভূমি দখল করে বাড়ী নির্মাণের অভিযোগ বুয়েটে স্থাপন হচ্ছে অত্যাধুনিক ন্যানো ল্যাব

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ৬৮ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২

 

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন ফের শুরু হয়েছে। পরিবেশবাদী এবং নাগরিক আন্দোলনের কর্মীদের তুমুল বিরোধিতাকে সঙ্গী করে সুন্দরবনের নিকটবর্তী স্থানে এ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট নির্মাণ সম্পন্ন এবং দ্বিতীয় ইউনিটের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানির (বিআইএফপিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে বাগেরহাটের রামপালে মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুেকন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত এবং সঞ্চালন লাইনে দেওয়া হয়েছে। আগামী রবিবার নাগাদ পূর্ণ সক্ষমতায় ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তসীমা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিআইএফপিসিএল। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণাধীন কেন্দ্রটির প্রতি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট। পরীক্ষামূলক উৎপাদন পর্যায় সম্পন্ন হলে আগামী ডিসেম্বরে কেন্দ্রটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে।

এর আগে গত ১৫ আগস্ট কেন্দ্রটিতে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত ২৪ অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাত থেকে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়। প্রায় এক মাসশেষে পুনরায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হলো।

সূত্র জানায়, রামপাল কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষামূলক উৎপাদন শেষ হওয়ার পর ন্যাশনাল লোড ডেসপাস সেন্টারের (এনএলডিসি) সনদ পাওয়া বাকি। কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের কাজও প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। অগ্রগতি-সূচি অনুযায়ী, আগামী বছরের জুনে এ ইউনিটেও উৎপাদন শুরু হবে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় (মোট ১৩২০ মেগাওয়াট) উৎপাদন করলে দৈনিক প্রায় ১৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা পুড়বে। প্রথম ইউনিটটি পূর্ণ মাত্রায় চললে দৈনিক সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিক টন কয়লা পোড়ানো হবে। ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩ লাখ মেট্রিক টন কয়লা বসুন্ধরার মাধ্যমে আনা হচ্ছে। ৮০ লাখ টন কয়লা আমদানি করতে দরপত্র মূল্যায়ন চলছে। ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ঐ কয়লা আসতে পারে।

মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) সমান মালিকানা রয়েছে। কেন্দ্রটি পরিচালনা করবে সমান ৫০ শতাংশ অংশীদারত্বে গঠিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী বিদ্যুৎ কোম্পানি (বিআইএফপিসিএল)। এর নির্মাণ ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে ভারত হেভি ইলেক্ট্রিক্যালস লিমিটেড (ভেল)।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২০১০ সালে পিডিবি ও এনটিপিসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে নির্মাণ ঠিকাদারের কাজে ব্যয় হবে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা (প্রায় ১৬০ কোটি মার্কিন ডলার)। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঠিকাদার ভেল এই ঋণ সংগ্রহ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিলে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী মৈত্রী কোম্পানির সঙ্গে ঋণদাতা ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ১৬০ কোটি মার্কিন ডলারের এ ঋণচুক্তি সই ও চুক্তিপত্র বিনিময় হয়। চূড়ান্ত ঋণচুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার এই ঋণের সার্বভৌম নিশ্চয়তা (সভরেন গ্যারান্টি) দেয়। এর আগে ২০১৬ সালের ১২ জুলাই ঢাকায় ভেল এবং বিআইএফপিসিএলের মধ্যে নির্মাণচুক্তি সই হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর