• শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কোটা বজায় রাখার নির্দেশ, চাইলে করা যাবে সংস্কার রাজউক প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতায় ক্ষোভ গণপূর্তমন্ত্রীর গমের উৎপাদন বাড়াতে মেক্সিকোর সহযোগিতা চান কৃষিমন্ত্রী সবুজ কারখানার সনদপ্রাপ্তিতে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড পিএসসিতে শুদ্ধি অভিযান জানমাল অনিশ্চয়তায় পড়লে বসে থাকবে না পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী ফ্রান্স, জানালেন রাষ্ট্রদূত আন্দোলনকারীদের জন্য আদালতের দরজা খোলা: প্রধান বিচারপতি মংলা বন্দরে এক বছরে রাজস্ব বেড়েছে সাড়ে ৫ শতাংশ সাত দেশ থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল কিনবে সরকার বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়াতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন ২৫ বছরের পুরোনো নথি জমা না দিলে জরিমানা নজরদারিতে পিএসসির ১০ কর্তা দেশের শিল্প খাতে রুফটপ সোলার ব্যবহার বাড়ছে ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে ডিজিটাল ভূমি জরিপ: ভূমিমন্ত্রী কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে কোটি ডলারের চুক্তি জাতিসংঘে সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাব গৃহীত কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন আপাতত বহাল এবার ওয়েবসাইটে মুদ্রানীতি প্রকাশ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃটেনে অন্য উচ্চতায় বাংলাদেশ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে আমানত বাড়ছে

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ২৭ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

সুদ হার বাড়ানোর প্রভাব ব্যাংকগুলোর আমনতে পড়ছে। এছাড়া তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকগুলো তহবিল বাড়াতে বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করছে। এর প্রভাবে গেল বছর ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, এই হার গত ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডিসেম্বরে প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ০৪ শতাংশে। এর আগে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে করোনা মহামারির সময়কালে আমানত প্রবৃদ্ধির হার ১১ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছিল। ব্যাংকিং সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুদ হার নির্ধারণে নতুন পদ্ধতি প্রচলনের পর এর প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্মার্ট রেট (ছয় মাসের ট্রেজারি-বিল বন্ডের গড় রেটের) অনুযায়ী সুদহার বাড়ানো হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মাসের জন্য ব্যাংকের বিনিয়োগে (ঋণে) সর্বোচ্চ সুদহার ১২ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেঁধে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরমধ্যে তারল্য সংকটে থাকা ইসলামী ব্যাংক আরও প্রতিযোগিতামূলক হারে, সর্বোচ্চ ১১ থেকে ১২ শতাংশ মুনাফায় আমানত নিচ্ছে। আমানতে প্রবৃদ্ধির যা অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে এক বছরের বেশি সময় ধরে আমানতের সুদহার ছিল মূল্যস্ফীতি হারের চেয়ে নিম্ন।

২০২০ সালের এপ্রিলে ঋণের সুদহারে এক অংকের যে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা প্রত্যাহারের পরেই আমানতে সুদহার বাড়তে শুরু করে। গত বছরের জুনে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ থাকলেও ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ হয়। তবে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ হওয়ার পরেও প্রধান প্রধান ব্যাংকগুলো আমানতে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যসূত্রে এমনটাই জানা গেছে।

২০২৩ সালের জুলাই থেকে ব্যাংক ঋণের সুদহার সীমা তুলে নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্মার্ট রেট ঘোষণা করেছে। সেপ্টেম্বরে সুদহারের ব্যবধানের (স্প্রেড) সীমাও তুলে নেওয়া হয়।

সুদহারের ব্যবধান হলো ব্যাংকগুলো বেসরকারি গ্রাহকদের যে সুদে ঋণ দেয়, তা থেকে বাণিজ্যিক বা অন্যান্য ব্যাংক ডিমান্ড, মেয়াদি, বা সঞ্চয়ী আমানতের বিপরীতে আমানতকারীকে যে হারে সুদ দেয় তা বাদ দিলে যা পাওয়া যায়, সেই পার্থক্য। ব্যাংকাররা বলছেন, এসব পদক্ষেপের কারণে ব্যাংকগুলো এখন উচ্চ সুদহারে আমানত নিতে পারছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে গ্রাহকের ঋণের রেট পরিবর্তন হচ্ছে ছয় মাসের ট্রেজারি-বিল বন্ডের গড় রেটের (স্মার্ট) ওপর ভিত্তি করে। এর সঙ্গে আরও ব্যাংকগুলো ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ মার্জিন যোগ করে গ্রাহকে ঋণ দিতে পারে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির জন্য ঋণের সর্বোচ্চ রেট হবে ১২.৪৩ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গতবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ কমেছে ৩৭ হাজার ৫৩ কোটি টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে, মুদ্রানীতির ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল্যস্ফীতির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে যেখানে বাজারে অর্থের জোগান কমানোর পদক্ষেপ ছিল।

চলতি অর্থবছরের জন্য বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশেরও কম হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর