• মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে করারোপ হচ্ছে না ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে বাধা নেই টেলিটক, বিটিসিএলকে লাভজনক করতে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ ভারত থেকে ২শ কোচ কেনার চুক্তি বেসরকারি কোম্পানি চালাতে পারবে ট্রেন দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৭৮৪ ডলার ৫ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পাঠ করলেন বিপ্লব বড়ুয়া ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক নিত্যপণ্যের বাজার কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর উত্তরা থেকে টঙ্গী মেট্রোরেলে হবে নতুন ৫ স্টেশন এমপিও শিক্ষকদের জন্য আসছে আচরণবিধি সরকার ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে কাজ করছে: পরিবেশমন্ত্রী বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী কানাডা মেট্রোরেলে ভ্যাট এনবিআরের ভুল সিদ্ধান্ত ২৫ মে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজের উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাগরে মাছ ধরা ৬৫ দিন বন্ধ বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তিনজন নিহত বঙ্গবন্ধু ‘জুলিও কুরি’ পদক নীতিমালা মন্ত্রিসভায় উঠছে

পিরোজপুরে সংগ্রামী সেই মুনিরা পাচ্ছে নৌকা ও পড়ালেখার খরচ

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ২০৬ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার হাফসা আকতার মুনিরা শিশু বয়সেই জীবিকার তাগিদে খেয়া পারাপারে জন্য কাঠের বৈঠা তুলে নয় হাতে। প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে চলে তার জীবন। বাবা মনির হোসেন প্রতিবন্ধী হওয়ায় অল্প বয়েসেই মুনিরাকে সংসারের হাল ধরতে হয়।

মুনিরার জীবন সংগ্রাম নিয়ে গণমাধ্যমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে মুনিরার কঠিন জীবনের গল্প উঠে আসায় তার পা‌শে দাঁড়িয়েছে দেশের একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। দেওয়া হচ্ছে জীবন সংগ্রামের সঙ্গী নতুন নৌকা। কঠিন সংগ্রামের মধ্যেও মুনিরা লেখাপড়া ছাড়েনি। এজন্য প্রতিষ্ঠানটি তার শিক্ষাজীবন চা‌লি‌য়ে নিতে প্র‌য়োজনীয় অর্থও দেবে।

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার চরবাসরী গ্রামের বাসিন্দা মনির হোসেন বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। তার একমাত্র মেয়ে মুনিরা। তাদের বাড়ির পাশেই চিড়াপাড়া খালের খেয়াঘাট। বাবা প্রতিবন্ধী হওয়ায় সে সংসার চালেতে সেখানেই খেয়া পারাপার করে। মুনিরার দেড় বছর বয়সে তার মা সংসার ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। সে বাবা মনির হোসেন এবং ফুফু রোজিনা বেগমের আদর-স্নেহে বড় হয়ে ওঠে।

তবে এত কঠিন সময়ের মধ্যেও পড়ালেখা চালিয়ে গেছে সে। মু‌নিরা এখন কাউখালী আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে।

সকালে খেয়া পারাপার শেষে স্কুলে যায় মুনিরা। দুপুরে বাসায় ফিরে সংসারের কাজ করে। এরপর আবার বিকেলে নৌকায় যাত্রী পারাপার করে। চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

মুনিরা জানায়, খেয়া পারাপার মেয়েদের কাজ না হলেও করতে হয়। প্রতিবন্ধকতা থাকায় বাবাকে কেউ কাজে নেয় না। অন্য কাজ না জানায় বাবার ভাঙাচোরা নৌকা দিয়ে খেয়া পারাপার করে সংসার চলে। লেখাপড়া শেষ করে চাকরি করার স্বপ্নের কথাও জানায় সে।

কাউখালী আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম জানান, হফসা আকতার মুনিরা সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। তার ভালোই মেধা আছে। সে খেয়া পারাপার করে সংসার চালায়। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে সহযোগিতা করে আসছে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর