• বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকা-রোম ফ্লাইট: সহযোগিতার আশ্বাস ইতালির রাষ্ট্রদূতের ভারত সীমান্তে চালু হচ্ছে আরেকটি স্থলবন্দর ২৬৩ জন সাংবাদিকের জন্য ২ কোটি ৩ লাখ টাকা অনুমোদন শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: এপ্রিলেই শেষ শতভাগ কাজ বাণিজ্যমেলায় ৩৯১ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনে যেতে চায় ভারত দই বিক্রেতা জিয়াউল হকের স্বপ্ন পূরণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ইউরোপ জয় বাংলাদেশ ও ঘানা ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে সম্মত একুশ মাথা নত না করতে শিখিয়েছে ভাষাশহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগে জনপ্রশাসনের তাগিদ কক্সবাজার সুগন্ধা সৈকতকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ নামকরণের নির্দেশ পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারত দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে আইইডিসিআর মনোনয়ন বৈধ সব প্রার্থীর শ্রদ্ধা ও স্মরণে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পরিবর্তন আসছে বিধিমালা ও আচরণবিধিতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রহণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ স্মার্ট ভূমিসেবা বাস্তবায়নে ১০০ দিনের কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে

দেশে বেড়েছে গরু-ছাগলের সংখ্যা

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ৪৪ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২

সারাদেশে গত এক দশকে প্রায় ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার গরু বেড়েছে এবং ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে ৩১ লাখ ২৬ হাজার। মঙ্গলবার প্রকাশিত কৃষিশুমারি ২০১৯-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্য জানা গেছে। এতে দেখা যায়, দেশে মোট গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৯৪ লাখ ৫২ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ ৭৮ হাজার। আর ছাগলের সংখ্যা বর্তমানে ১ কোটি ৯৪ লাখ ৪৪ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ১ কোটি ৬৩ লাখ ১৮ হাজার।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে ১০ বছরে গরু, মহিষ, ছাগল ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ শুমারিতে মোট মোরগ-মুরগীর সংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৯ কোটি ৯৪ লাখ ৩ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ৯ কোটি ৭৮ লাখ ১০ হাজার। হাঁসের সংখ্যা বর্তমানে ৭ কোটি ৪৪ লাখ ৯৩ হাজার, যা ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ৩ কোটি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার।

কৃষিশুমারি সাধারণত ১০ বছর পরপর করা হয়। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০১৯ সালের শুমারির প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই বছরের ৯-২০ জুন পঞ্চম কৃষিশুমারি পরিচালিত হয়। কৃষিশুমারিতে দেশের কৃষি জমির পরিমাণ, মালিকানা, সেচ ব্যবস্থা, আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ, ভূমির ব্যবহার, হাঁস-মুরগির ও গবাদিপশুর সংখ্যা ইত্যাদির তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

শুমারির তথ্যে দেখা যায়, দেশে মোট কৃষি খানার সংখ্যা ১ কোটি ৬৮ লাখ ৮১ হাজার যা, ২০০৮ সালের শুমারিতে ছিল ১ কোটি ৫১ লাখ ৮৩ হাজার। দেশে নিট আবাদি জমির পরিমাণ ১ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার একর। এর মধ্যে নিট অস্থায়ী ফসলি জমির পরিমাণ ১ কোটি ৬৪ লাখ ২৩ হাজার একর এবং স্থায়ী ফসলের জমির পরিমাণ ১৯ লাখ ৭০ হাজার একর।

শুমারির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০০৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালের শুমারিতে আউশ ফসলের চাষের জমি কিছুটা কমলেও, আমন, বোরো, আলু, গম, ভুট্টা, পাট ইত্যাদি ফসল চাষের জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফসলের নিবিড়তা পাওয়া গেছে ২১৪, যা ২০০৮ সালে ছিল ১৭৩। কৃষিশুমারি ২০১৯ এ মোট মৎস্য চাষের জমির পরিমাণ ১২ লাখ ১২ হাজার ১০৭ একর। ব্যবহারভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, পুকুরে মাছ চাষের জমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৬ লাখ ৮১ হাজার একর।

কৃষিশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর