• মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে করারোপ হচ্ছে না ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে বাধা নেই টেলিটক, বিটিসিএলকে লাভজনক করতে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ ভারত থেকে ২শ কোচ কেনার চুক্তি বেসরকারি কোম্পানি চালাতে পারবে ট্রেন দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৭৮৪ ডলার ৫ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পাঠ করলেন বিপ্লব বড়ুয়া ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক নিত্যপণ্যের বাজার কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর উত্তরা থেকে টঙ্গী মেট্রোরেলে হবে নতুন ৫ স্টেশন এমপিও শিক্ষকদের জন্য আসছে আচরণবিধি সরকার ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে কাজ করছে: পরিবেশমন্ত্রী বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী কানাডা মেট্রোরেলে ভ্যাট এনবিআরের ভুল সিদ্ধান্ত ২৫ মে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজের উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাগরে মাছ ধরা ৬৫ দিন বন্ধ বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তিনজন নিহত বঙ্গবন্ধু ‘জুলিও কুরি’ পদক নীতিমালা মন্ত্রিসভায় উঠছে

‘তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিচার বিভাগ নতুন দিগন্তে পদার্পণ করতে যাচ্ছে’

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ১৭১ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ এক নতুন দিগন্তে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। একবিংশ শতকের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের ধারায় বিচার বিভাগে আজ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর একগুচ্ছ পরিষেবার সার্থক প্রবর্তন হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের উদ্ভাবিত ছয়টি কোর্ট প্রযুক্তির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উদ্ভাবিত ৬টি প্রযুক্তির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রথমটি অধস্তন আদালত থেকে মামলার পরিসংখ্যান পাঠানোর প্রক্রিয়াকে সহজিকীকরণসহ তথ্য-উপাত্ত দ্রুততার সঙ্গে বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। এই সফটওয়্যার মনিটরিং কমিটির কাজকে আরও গতিশীল করবে, সর্বোপরি মামলাজট নিরসনে সহায়তা করবে। দ্বিতীয় প্রযুক্তিটির মাধ্যমে অধস্তন আদালতের বিচারকরা অতি সহজেই তাদের দেওয়া রায় ও আদেশ প্রস্তুতকৃত প্ল্যাটফর্মে আপলোড করতে পারবেন; যা বিচারপ্রার্থীরা সহজেই দেখতে পারবেন।

তৃতীয়টি, আপিল বিভাগের প্রবেশ পাশ; যার মাধ্যমে আপিল বিভাগের এজলাস সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনচলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং যেসব বিচারপ্রার্থী আপিল বিভাগে প্রবেশ করবে তাদের তথ্যগুলো আমাদের কাছে সংরক্ষিত থাকবে।

চতুর্থটি, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট অ্যাপস। এর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে থাকা সব তথ্য অতি সহজে পাওয়া যাবে। পঞ্চমটি, সুপ্রিম কোর্ট স্পেশাল কমিটি ফর চাইল্ড রাইটস্ এর জন্য প্রস্তুতকৃত একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে দেশের শিশু আদালতের মামলার পরিসংখ্যান এবং আইনের সঙ্গে সংঘাতে আসা শিশুদের বিষয়ে নেওয়া ব্যবস্থাসহ অন্যান্য পরিসংখ্যান কমিটির কাছে অতি সহজে এবং দ্রুততার সঙ্গে পাঠানো সম্ভব হবে।

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, যে ছয়টি প্রযুক্তিনির্ভর টুলস আজ এখানে যুক্ত হবে- সেগুলো বিচার বিভাগকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রাথমিক পদক্ষেপ মাত্র। আজ উন্মুক্ত হওয়া সফটওয়ার, অ্যাপস ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনগুলোর প্রত্যেকটি স্বতন্ত্র উপযোগিতায় সমৃদ্ধ। যে কাজগুলোর জন্য আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিশ্রম করতে হতো সেগুলো কয়েকটি ক্লিকে নিমিষেই সম্পাদিত হবে।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল গোলাম রব্বানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর