• বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দ্বাদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসছে ২ মে আপাতত মার্জারে যাচ্ছে ১০ ব্যাংক, এর বাইরে নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক রাজধানীর অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৪৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন খালির নির্দেশ চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৬.১ শতাংশ কৃচ্ছ্রসাধনে আগামী বাজেটেও থোক বরাদ্দ থাকছে না নতুন যোগ হচ্ছে ২০ লাখ দরিদ্র প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি জামায়াত নেতারাও কিস্তির সময় পার হলেই মেয়াদোত্তীর্ণ হবে ঋণ বিভেদ মেটাতে মাঠে আওয়ামী লীগ নেতারা রেমিট্যান্সে সুবাতাস, ১২ দিনে এলো ৮৭ কোটি ডলার বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ পথচলা হয়ে উঠুক আরো শক্তিশালী বিএনপি এদেশের সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা: ওবায়দুল কাদের আজ খুলছে অফিস-আদালত-ব্যাংক-বিমা হাওরে বিশ্বের দীর্ঘতম আলপনা সমৃদ্ধ ও স্মার্ট ভবিষ্যৎ নির্মাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান অর্থ প্রতিমন্ত্রীর বাংলাদেশি জাহাজ ছিনতাই: সোমালিয়ার ৮ জলদস্যু গ্রেপ্তার ইরান-ইসরাইল উত্তেজনা নিরসন ও গাজায় হত্যাযজ্ঞ বন্ধ চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর সম্ভাবনা নিয়ে এলো ১৪৩১ পয়লা বৈশাখে র‌্যালি করবে আওয়ামী লীগ চালের বস্তায় লিখতে হবে মূল্য-জাত

ছয় মাসে সরকারের ব্যাংক ঋণ বেড়েছে ৩২২৪৯ কোটি টাকা

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ১১৬ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৩

বাজেটের ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে ঋণ বাড়িয়েছে সরকার। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারের ব্যাংক ঋণ বেড়েছে ৩২ হাজার ২৪৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গেল মাসে অর্থাৎ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে তিন লাখ দুই হাজার ৪৩৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। গত ৩০ জুনে যা ছিল দুই লাখ ৭০ হাজার ১৮৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সে হিসেবে ছয় মাসে সরকারের ব্যাংক ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩২ হাজার ২৪৯ কোটি ৩৫ লাখ। গত অর্থবছরের এই সময়ে ঋণ গ্রহণ করেছিল ১৯ হাজার ১২৮ কোটি টাকা ৬৬ লাখ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সরকারের ব্যাংক ঋণের স্থিতি ছিল দুই লাখ ২১ হাজার ২৪৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। যা ২০২২ সালের একই সময়ে এসে তিন লাখ দুই হাজার ৪৩৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরে ৮১ হাজার ১৯১ কোটি ১৫ লাখ টাকা বেড়েছে।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে এক লাখ ছয় হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রির চেয়ে ভাঙানোর হার বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্যাংক, সঞ্চয় ব্যুরো ও ডাকঘরে মোট জমা পড়েছে ৩৪ হাজার ৯৩৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এর বিপরীতে মূল পরিশোধ দাঁড়ায় ৩৬ হাজার ৫৪৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে প্রথম পাঁচ মাসে নিট ঋণ এক হাজার ৬১০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ঋণ কমেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নেওয়ার ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় সরকারকে ব্যাংকমুখী না হয়ে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কাঙ্ক্ষিত হারে রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। অন্য দিকে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কম হয়েছে। আর সরকারের ব্যয় না কমার কারণে বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ঢাকা মেইলকে বলেন, সরকার সস্তার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এখন ঋণ নিচ্ছে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বেশি ঋণ নেওয়ার ফলে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়ছে। সরকারের উচিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকমুখী ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেই ঋণ নেওয়া উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর