• রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পতেঙ্গা সৈকত ঘিরে মাস্টার প্ল্যান তৈরিসহ একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত কর্মপরিধি বাড়ছে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের উত্তরের যোগাযোগে আসবে গতি চট্টগ্রাম বন্দরে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে আবুধাবি পোর্ট গ্রুপ হেমায়েতপুরে হবে বহুতল টার্মিনাল চাহিদার চেয়ে ২৩ লাখের বেশি পশু প্রস্তুত দেশকে আরও এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল একটা জাগরণ : নানক শেখ হাসিনাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বৈদেশিক ঋণের প্রকল্পে বিশেষ নজর দিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ দেশি শিং মাছের জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচনে সফলতা একক গ্রাহকের ঋণসীমা অতিক্রম না করতে নির্দেশ ব্যাংকগুলোকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ১১০ বিলিয়ন ডলার ২-৩ বছরের মধ্যে মহাকাশে যাবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট প্রত্যাশা নতুন অধ্যায়ের বিপিসির এলপি গ্যাস বটলিং প্ল্যান্ট আধুনিকায়ন, জুনে চালু রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না সেমিকন্ডাক্টর খাতে ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের সম্ভাবনা

খাস জমি দখলে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, সংসদে বিল

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ৪৮ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৩

হাট-বাজারের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছর দণ্ডের বিধান রেখে একটি আইনের খসড়া সংসদে তোলা হয়েছে। ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী রোববার ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিল, ২০২৩’ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি যাচাই বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও অধিগ্রহণ) অধ্যাদেশ, ১৯৫৯’ সংশোধন ও পরিমার্জন করে নতুন এই আইনের খসড়া করা হয়েছে। পুরনো অধ্যাদেশে কোনো শাস্তির বিধান না থাকলেও বিলে সুনির্দিষ্ট অবরাধ ও শাস্তির বিধান রয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, হাট-বাজারের সরকারি খাস জমি কেউ অবৈধভাবে দখলে রাখলে বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া হাট-বাজারের খাস জমির ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে বা নির্মাণের উদ্যোগ নিলে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা এক বছর কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

প্রস্তাবিত এ আইনের আওতায় অর্থদণ্ড আরোপে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হাট-বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাসহ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে ১৯৫৯ সালের অধ্যাদেশ ‘রহিত’ করে বাংলা ভাষায় নতুন বিলটি আনা হয়েছে।

এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও স্টেক হোল্ডারদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন এনে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।এছাড়া ‘বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল (সংশোধন) বিল ২০২৩’ এদিন সংসদে উত্থাপন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর