• শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে করারোপ হচ্ছে না ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে বাধা নেই টেলিটক, বিটিসিএলকে লাভজনক করতে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ ভারত থেকে ২শ কোচ কেনার চুক্তি বেসরকারি কোম্পানি চালাতে পারবে ট্রেন দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৭৮৪ ডলার ৫ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার বুদ্ধ পূর্ণিমা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পাঠ করলেন বিপ্লব বড়ুয়া ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক নিত্যপণ্যের বাজার কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর উত্তরা থেকে টঙ্গী মেট্রোরেলে হবে নতুন ৫ স্টেশন এমপিও শিক্ষকদের জন্য আসছে আচরণবিধি সরকার ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে কাজ করছে: পরিবেশমন্ত্রী বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী কানাডা মেট্রোরেলে ভ্যাট এনবিআরের ভুল সিদ্ধান্ত ২৫ মে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজের উদ্ভোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাগরে মাছ ধরা ৬৫ দিন বন্ধ বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে তিনজন নিহত বঙ্গবন্ধু ‘জুলিও কুরি’ পদক নীতিমালা মন্ত্রিসভায় উঠছে

এস আলমের বাঁশখালী বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোদমে উৎপাদনে যাবে জুনে

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ৪৬ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারায় নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এসএস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেডের দুটি ইউনিট আগামী জুনের মধ্যে পুরোদমে উৎপাদনে যাচ্ছে। রোববার বাঁশখালীতে অবস্থিত এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান কোম্পানির পরিচালক আবদুস সামাদ লাভু। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ বলেন, “কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিবেশবান্ধব উপায়ে হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি, আগামী এপ্রিলে প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যাবার। আগামী মে মাসে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন শুরু হবে।”

জুন নাগাদ ইউনিট দুটিতে পুরোদমে উৎপাদনের আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ইউনিট দুটিতে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। বেশ কয়েকটি বিভাগ মিলে এই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন সময় দেবেন, তখন উদ্বোধন করা হবে।” চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এসএস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেড।

সামাদ বলেন, “মার্চের মধ্যে প্রকল্পের ব্রেক ওয়াটারের কাজ শেষ হবে এবং কয়লার প্রথম চালান আসবে। কয়লার চালান আসবে ইন্দোনেশিয়া থেকে। প্রথমে ২০ হাজার টন এবং পরবর্তীতে আরও দুই লাখ টন কয়লা আসবে।”

এজন্য ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিকল্প দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকেও রেখেছেন তারা। আন্তর্জাতিক দামেই কয়লা কেনা হচ্ছে উল্লেখ করে সামাদ বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দাম কমবে, বাড়লে বাড়তি দরে নেওয়া হবে। সবমিলিয়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৯ টাকার মধ্যে দেওয়ার আশা করছি।”

জ্বালানির দাম কমলে বিদ্যুতে সঙ্কট কাটবে: উপদেষ্টা

আর্ন্তজাতিক বাজারে জ্বালানির দাম সহনশীল হলে দেশে বিদ্যুতের অভাব হবে না মন্তব্য করে তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, “লোডশেডিং হচ্ছে, হয়ে যাবে- এসব কিছু ধারণাপ্রসূত। আমরা আজকে এখানে এসেছি, ওরা যত তাড়াতাড়ি বিদ্যুৎ দিতে পারবে, তত আমাদের ঘাটতি কম হবে। প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী রোববার বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে যান।

|

“আন্তর্জাতিক বাজারে যদি জ্বালানির দাম সহনশীল হয়, বাংলাদেশে বিদ্যুতের অভাব থাকবে না। এলএনজি, কয়লার দাম সহনশীল হলে বিদ্যুতের ঘাটতি থাকবে না। আমাদের ২৬ হাজার মেগাওয়াট ক্যাপাসিটি আছে, লাগবে ১৬ হাজার।”

বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি তুলে ধরে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, “এটা যদি শুধু বাংলাদেশের হতো তাহলে বলতাম। সারা পৃথিবীতে এ যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। শুধু জ্বালানি তেল না, খাদ্য শস্য, ফার্টিলাইজার, ডলারের দাম বেড়েছে। জিওপলিটিকসের কারণে আমাদের মতো দেশ খেসারত দিচ্ছে।”

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুতে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।

“এটার একটা সীমা আছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্যে যেসব জ্বালানি আমরা আমদানি করি তা আমাদের হাতে নেই। সেজন্য আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম ধাপে ধাপে বাড়াচ্ছি, যাতে আমাদের ভর্তুকি দেওয়া না লাগে।”

প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলারে বাঁশখালীর গণ্ডামারায় নির্মাণাধীন এসএস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেডের ৭০ শতাংশ মালিকানা দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের।

প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলারে বাঁশখালীর গণ্ডামারায় নির্মাণাধীন এসএস পাওয়ার ওয়ান লিমিটেডের ৭০ শতাংশ মালিকানা দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের।বাকি ৩০ শতাংশের মালিকানা চীনের সেপকো থ্রি’র।

২০১৬ সালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে প্রকল্পটির কাজ ৯৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। সুপার ক্রিটিকাল প্রযুক্তির হওয়ায় কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রটি পরিবেশ দূষণ করবে না বলে কোম্পানিটি দাবি করছে।

২০১৬ সালের এপ্রিলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির জায়গা অধিগ্রহণ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছিল। ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল পুলিশের সাথে শ্রমিকদের সঙ্গে আরেক সংঘর্ষে আরও পাঁচজন নিহত হন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর