• শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাতারের আমির আসছেন সোমবার রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে ক্যাশলেস পদ্ধতিতে যাচ্ছে এনবিআর বাংলাদেশে দূতাবাস খুলছে গ্রিস বঙ্গবন্ধু টানেলে পুলিশ-নৌবাহিনী-ফায়ার সার্ভিসের জরুরি যানবাহনের টোল মওকুফ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে আসছেন আরও ৪ লাখ মানুষ ৫০ বছরে দেশের সাফল্য চোখে পড়ার মতো চালের বস্তায় জাত, দাম উৎপাদনের তারিখ লিখতেই হবে মন্ত্রী-এমপির প্রার্থীদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ প্রাণী ও মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে বেসরকারি খাত এগিয়ে আসুক ফের আশা জাগাচ্ছে লালদিয়া চর কনটেইনার টার্মিনাল ‘মাই লকারে’ স্মার্টযাত্রা আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকের আমানত বেড়েছে ১০.৪৩ শতাংশ বঙ্গবাজারে দশতলা মার্কেটের নির্মাণ কাজ শুরু শিগগিরই বেঁচে গেলেন শতাধিক যাত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ মন্ত্রী-এমপিদের প্রভাব না খাটানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মুজিবনগর দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী সলঙ্গায় ১০৭ বছরেও জীবন যুদ্ধ শেষ হয়নি বৃদ্ধা ডালিম খাতুনের

উপকূলে দিন বদলালেও বদলায়নি নারীদের মজুরি বৈষম্য

সিরাজগঞ্জ টাইমস / ১৬৩ বার পড়া হয়েছে।
সময় কাল : রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সর্ব দক্ষিণে উপকূলীয় অঞ্চল কয়রায় বেশিরভাগ নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। দিনমজুর নারী-পুরুষের পারিশ্রমিকে রয়েছে বিস্তর বৈষম্য। বেঁচে থাকার তাগিদে নারী ও পুরুষ হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করলেও নারী তার ন্যায্য পাওনা পায় না। সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে কয়রা উপজেলার মুন্ডা ও আদিবাসী নারী শ্রমিক।

এ সকল নারীদের অভিযোগ, পুরুষের পাশাপাশি খেত খামারে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ করি। অথচ পুরুষ শ্রমিক ছয়শ টাকা পারিশ্রমিক পেলেও আমরা পাই তিনশ টাকা। কর্মক্ষেত্রে নির্যাতনসহ নানা বৈষম্যের স্বীকার হন এ সকল নারী।

একাধিক নারী শ্রমিকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, মাটি কাটা ছাড়া সব কাজে তারা পুরুষের সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়ে চলেন। অথচ মজুরি প্রদানের ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় তাদের প্রতি বেলা একশ/দেড়শ টাকা কম দেওয়া হয়। অনেক সময় কম মজুরিতে পুরুষরা কাজ করতে সম্মত না হওয়ায় অর্ধেক মজুরিতে নারী শ্রমিকদের কাজে লাগানো হয় বলে জানান তারা।

উপজেলার মুন্ডাপাড়া নারী শ্রমিক জয়ন্তী রানী বলেন, পুরুষের সাথে মাটি কাটি, কাঁধে ও মাথায় বোঝা বহন করি। জমি চাষ, ধান রোপণ, কাটা ও মাড়াই করি। তবুও রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দিনশেষে পুরুষের চেয়ে আমাদের মজুরি নিতান্তই কম।

মুন্ডা সংগঠক নিরাপদ মণ্ডল জানান, উপজেলায় দেড় হাজার মুন্ডা ও আদিবাসী নারী শ্রমিক কৃষি কাজে সাফল্যও রাখছে। কিন্তু পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে তাদের প্রতি মারাত্মক বৈষম্য করা হয়।

সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খয়রুল আলম বলেন, নারী শ্রমিকের জন্য স্থানীয়ভাবে কোনো সংগঠন গড়ে না ওঠায় তাদের মজুরি বৈষম্য দূর হচ্ছে না। নারী শ্রমিকরা সংগঠিত না হওয়ার সুযোগ নিয়ে স্থানীয় মহাজনরা ইচ্ছামত মজুরিতে তাদের কাজ করতে বাধ্য করে।

নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম বলেন, এলাকায় কর্মসংস্থানের সংকটের কারণে সবাই কাজের জন্য ঘুরছেন। এ সুযোগে নিয়ে স্থানীয়রা নারীদের দিয়ে পুরুষের কাজ করিয়ে তুলনা মূলক কম মজুরি পরিশোধ করছেন। নারী শ্রমিকের প্রতি মজুরি বৈষম্যের অবসানে সবার এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা খাতুন বলেন, সরকার নারীদের ক্ষমতায়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছেন। একজন শ্রমিক হিসেবে নারীদেরকেও সমান মজুরি দেওয়া উচিৎ। তাদের সচেতন করার পাশাপাশি শ্রমজীবী নারীদের স্বার্থে একটি সংগঠন জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর